1. admin@alokitoshomachar.com : sh@admin :
রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ও মাদক নিমূল আলোচনা সভা সাংবাদিকের ভালোবাসার টানে ঘর ছেড়েছেন,ডেনমার্কের রোমানা মারিয়া হোসেনপুর সরকারি মডেল পাইলট স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষকের ভুয়া সনদে পদোন্নতির অভিযোগ কটিয়াদীতে বাণিজ্য মেলা বন্ধের দাবিতে প্রতিবাদ সভা নান্দাইলে অসহায় পরিবারের জায়গা দখলে রেখেছে প্রভাবশালী ব্যক্তি বিয়ে শেষে ভাগ্নিকে এগিয়ে দিতে গিয়ে খুন হলেন মামা নান্দাইলে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে জায়গা দখলের অভিযোগ নান্দাইলে আওয়ামী লীগের পরিকল্পনামন্ত্রীর ভাতিজা যুবলীগ নেতা ফারুক গ্রেফতার বাজিতপুরের বলিয়াদীতে অজু খানা উদ্বোধন করেন জামায়াত নেতা অধ্যাপক রমজান আলী ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশী আকরাম হোসেন নিহত হয়েছে 

পিলখানার ঘটনায় চাকুরীচ্যুত সদস্যদের পূর্ণবহালের দাবিতে ময়মনসিংহে মানববন্ধন ও স্বারকলিপি ।

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০২৪
  • ১১৫ বার শেয়ার করা হয়েছে।

জয়নাল আবেদীন বিশেষ প্রতিনিধি

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে হত্যাকান্ডে তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকার কতৃক ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যার পুনঃবিচার ও চাকরীচ্যুত বিডিআর সদস্যদের চাকুরী পূর্ণবহালের দাবিতে ময়মনসিংহে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে চাকরীচ্যুত সদস্যরা। বুধবার সকালে নগরীর শহীদ ফিরোজ- জাহাঙ্গীর চত্বরে প্রায় শতাধিক সদস্যরা ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করে। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- হাবিলদার মোজাম্মেল, হাবিলদার নায়েব আলী, সাঈদ খান, সিপাহী ইউনুস আলী, আব্দুল মান্নান, সাজ্জাদ, আবু সাঈদসহ বিডিআর সদস্য ও তাদের পরিবার-পরিজনরা। এ সময় বক্তারা বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানা হত্যাকান্ডের সময় বাংলাদেশ রাইফেলস্ (বর্তমান বিজিবি)তে বিভিন্ন ইউনিটে বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলাম। ঐ সময়ে ঢাকার সদর দপ্তর পিলখানায় বিগত সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতীয় এজেন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশ রাইফেলসের সুদক্ষ ৫৭ সেনা অফিসারসহ মোট ৭৪ জনকে নির্মম ও পৈশাচিকভাবে হত্যা করে এবং নিহত সদস্যদের স্ত্রী, পুত্র ও কন্যাসহ সদস্যদের হত্যার হুমকি ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পিলখানা চত্বরে কর্তব্যরত সারা দেশের বিভিন্ন ইউনিটের বিভিন্ন ক্যাম্পে কর্তব্যরত নির্দোষ ও নিরপরাধ বিডিআর সদস্যদের প্রহসনমূলক বিচারের নামে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান ও চাকরিচ্যুত করা হয়, যা প্রচলিত আইন বিরোধী। সেটা সেনা আইন, আন্তর্জাতিক আইন বা প্রচলিত আইন কোন আইনই বিচারকে সমর্থন করে না। এটা সম্পুন্ন আইন বিরোধী, বেআইনি ও অবৈধ। বর্তমানে আমরা চাকরিচ্যুত (জোয়ানরা) পরিবার-পরিজন নিয়ে অসহায় অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছি। আমরা বলতে চাই এটি একটি ইতিহাসের কালো অধ্যায়। গত ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্ট ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে স্বৈরাচারী সরকার পতনের পর বর্তমানে অন্তর্বর্তকালীন সরকার গঠিত হওয়ায় আমরা স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছি। আপনারা জানেন ইতিমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হচ্ছে ২০০৯ সালের বিডিআর হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত ছিল বিগত স্বৈরাচারী সরকার। আমরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নিকট স্মারকলিপির মাধ্যমে দাবি জানাচ্ছি অতিদ্রুত চাকরিচ্যুত জোয়ানদের পুনরায় চাকরিতে পূর্ণবহাল ও পিলখানায় বিডিআর হত্যাকান্ডে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হউক। মানববন্ধন শেষে হাবিলদার মোজাম্মেল, সিপাহী মোঃ ইউনুস আলীর নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এরপর জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

আপডেট সংবাদ পেতে আলোকিত সমাচার পড়ুন, সংবাদটি শেয়ার করে সাথে থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি